# বাংলা চটি  গল উত্তপ্ত রাতঃ পর্ব- ১ (`justwatching/baanlaa-ctti-gl-uttpt-raath-prb-1`) Actor

বাংলা চটি  গল উত্তপ্ত রাতঃ পর্ব- ১
বাংলা চটি  গল উত্তপ্ত রাতঃ পর্ব- ১
বাংলা চটি  গল উত্তপ্ত রাতঃ পর্ব- ১

- **URL**: https://apify.com/justwatching/baanlaa-ctti-gl-uttpt-raath-prb-1.md
- **Developed by:** [Recycle Zone60](https://apify.com/justwatching) (community)
- **Categories:** AI, Videos, Other
- **Stats:** 2 total users, 1 monthly users, 100.0% runs succeeded, 0 bookmarks
- **User rating**: No ratings yet

## Pricing

Pay per usage

This Actor is paid per platform usage. The Actor is free to use, and you only pay for the Apify platform usage, which gets cheaper the higher subscription plan you have.

Learn more: https://docs.apify.com/actors/running/actors-in-store.md#pay-per-usage

## What's an Apify Actor?

Actors are web data automations that power AI and operations. They run on the Apify platform to scrape websites, process data, connect APIs, and automate workflows.
In Batch mode, an Actor accepts a well-defined JSON input, performs an action which can take anything from a few seconds to a few hours,
and optionally produces a well-defined JSON output, datasets with results, or files in key-value store.
In Standby mode, an Actor provides a web server which can be used as a website, API, or an MCP server.
Actors are written with capital "A".

## How to integrate an Actor?

If asked about integration, you help developers integrate Actors into their projects.
You adapt to their stack and deliver integrations that are safe, well-documented, and production-ready.
The best way to integrate Actors is as follows.

- **AI agents and MCP clients** — the [Apify MCP server](https://docs.apify.com/integrations/mcp.md) at `https://mcp.apify.com` (remote, streamable HTTP, OAuth on first use).
- **Agentic workflows and local Actor development** — [Agent Skills](https://apify.com/.well-known/agent-skills/index.json) with the [Apify CLI](https://docs.apify.com/cli/docs.md): `npm install -g apify-cli`, then `apify login`.
- **JavaScript/TypeScript projects** — the official [JS/TS client](https://docs.apify.com/api/client/js/docs.md): `npm install apify-client`.
- **Python projects** — the official [Python client](https://docs.apify.com/api/client/python/docs.md): `pip install apify-client`.
- **Any other language** — the [REST API](https://docs.apify.com/api/v2.md).

For usage examples, see the [API](#api) section below.

For more details, see Apify documentation as [Markdown index](https://docs.apify.com/llms.txt) and [Markdown full-text](https://docs.apify.com/llms-full.txt).

# README

ঈর্ষার উত্তপ্ত রাতঃ পর্ব- ১

\##Click Here ►: https://tinyurl.com/y9tnstxm

আমার নাম অর্ণব এবং আমি থাকি মসূরীতে। উত্তরাখণ্ডে অবস্থিত এই জায়গাটি বেশ সুন্দর। আমি বর্তমানে 24 বছর বয়সী, 5′-9″ লম্বা, ৮২ কেজি। কালো কোঁকড়ান মাথার চুল, খয়েরী চোখ এবং আমি একটি স্থানীয় ব্যাঙ্কে একজন একাউন্টেন্ট হিসাবে কাজ করি। গত বসন্তে টিনার সাথে আমার পরিচয়—অসাধারণ সুন্দরী এক পাহাড়ি তরুণী, যার বয়স সবে মাত্র কুড়ি। ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতা আর মাত্র ৪৯ কেজি ওজনের শরীরে ওর কার্ভগুলো যেন কোনো শিল্পীর তুলিতে আঁকা। বিশেষ করে ওর স্তনযুগলের উদ্ধত ভঙ্গি যেকোনো পুরুষকে প্রথম দেখায় ঘায়েল করার জন্য যথেষ্ট।

টিনার সাথে ডেট করার প্রায় এক মাস পর আমি প্রথমবার ওর শরীরের সেই পরম সম্পদগুলোর ছোঁয়া পাই। ও যখন ওর টপ খুলে ফেলত, আমি যেন নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারতাম না। ওর নিপলগুলো ছিল গাঢ় রঙের, যা সামান্য স্পর্শ বা চোষণে মুহূর্তেই পাথরের মতো শক্ত হয়ে উঠত।

টিনা নিজেও তার শরীরের এই আকর্ষণ সম্পর্কে খুব সচেতন ছিল। ও বলত, “জানো জিম, আমার বান্ধবীরা সবাই আমাকে হিংসে করে। পাহাড়ি মেয়েদের মধ্যে এত পাতলা শরীরে এমন ভরাট মাই পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।” টিনা আমাকে আরও বলেছিল যে যেহেতু তার স্তন অল্প বয়স থেকেই বিকশিত হতে শুরু করেছিল, তাই তার মা সর্বদা তাকে এমন পোশাক পড়তে বাধ্য করতেন যা তার বড় স্তনযুগলকে লুকিয়ে রাখে। হাইস্কুলে পড়ার সময় থেকেই ও বুঝতে পেরেছিল পুরুষদের লোলুপ দৃষ্টি ওর বুকের ওপর থমকে থাকছে। ওর নিপলগুলো এত বেশি সংবেদনশীল ছিল যে, সামান্য উত্তেজনাতেই সেগুলো পোশাকের ওপর থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠত। ও সাধারণত ক্লিভেজ দেখানোর চেয়েও আঁটসাঁট পোশাক পরতে বেশি পছন্দ করত, যাতে ওর শরীরের নিখুঁত শেপ আরও বেশি আবেদনময়ী হয়ে ফুটে ওঠে।

আমাদের শারীরিক সম্পর্কের মাত্রা ছিল কিছুটা সীমিত। সপ্তাহে বড়জোর একবার ও আমাকে ওর স্তন নিয়ে খেলতে দিত। কখনও কখনও অনুরোধ করলে ও পরম মমতায় হস্তমৈথুন করিয়ে দিত, যেটাকে ও বলত আমার জন্য ‘স্পেশাল ট্রিট’। তবে ইন্টারকোর্স বা মিলনের ব্যাপারে ওর ছিল কড়া শাসন। ও বলত, সে নিজেকে বিয়ের জন্য সংরক্ষিত রাখছে। এমনকি ও আমার পুরুষাঙ্গ মুখে নিতেও রাজি হতো না, যদিও সে আমার জিহ্বার ছোঁয়ায় ওর শেভ করা কোমল যোনিদেশে পরম সুখ আদায় করে নিতে পিছপা হত না। যখন আমি আমার জিহ্বা দিয়ে তার কোমল কুমারিত্ব লেহন করতাম, সে তৃপ্তিতে ওর শরীর ধনুকের মতো বেঁকিয়ে দিত।

৩ মাস ডেট করার পর সুযোগ এলো এক দারুণ রোমান্টিক ভ্রমণের। আমার বস আমাদের তার কালিংপং-এর লাক্সারি টাউনহাউসটি পাঁচ দিনের জন্য ব্যবহারের অনুমতি দিলেন। নির্জন পাহাড় ঘেরা সেই বাড়িটি যেন ছিল আমাদের কামনার এক গোপন আস্তানা। আমি আমার হোন্ডা ডার্ট বাইক নিয়ে গিয়েছিলাম ডেওলো পাহাড়ে রাইড করার জন্য, আর টিনা চেয়েছিল পাহাড়ের নিরিবিলিতে বই পড়ে আর শরীরচর্চা করে সময় কাটাতে।

হাইস্কুলে জিমন্যাস্টিকস করার সুবাদে টিনার শরীর ছিল অত্যন্ত নমনীয় এবং পেশীবহুল। কিছুদিন আগে এক ফিমেল ফিটনেস কম্পিটিশনে ও ৩য় স্থান পেয়েছিল, তারপর থেকেই ‘বডি স্কাল্পটিং’ ওর নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই আমি যখন বাইক নিয়ে বাইরে থাকব, ও ঠিক করল কাছেপিঠে কোনো জিমে গিয়ে ওর সুডৌল শরীরটাকে আরও ঝালিয়ে নেবে।

বুধবার বিকেলে আমরা যখন মুলাখারাকা লেকের সেই পাহাড়ি টাউনহাউসে পৌঁছালাম, চারিদিকের নিস্তব্ধতা দেখে মনটা ভরে গেল। পাইন গাছের সতেজ ঘ্রাণ আর পাহাড়ের হিমেল হাওয়া আমাদের ৫ দিনের এই একান্ত অবসরকে যেন স্বাগত জানাচ্ছিল। বসের বাড়িটা সত্যিই চমৎকার, জানলা দিয়ে লেকের নীল জলরাশি রূপকথার মতো মনে হয়।

পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে আমি আমার মোটরসাইকেল নিয়ে কিছু কাজের সুবাদে শিলিগুড়ির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়লাম। সারাদিন অফ-রোড ট্রেইলে একা রাইড করে যখন দুপুর ৩টে নাগাদ ফিরলাম, দেখলাম পাশের ইউনিটের সামনে একটা সাদা স্করফিও দাঁড়িয়ে আছে। ভাবলাম, হয়তো কোনো প্রতিবেশী এসেছে। বসের জানাশোনা কেউ হতে পারে ভেবে মনে মনে ঠিক করলাম একটু নম্র ব্যবহার করতে হবে।

সন্ধে ৬টা নাগাদ দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ শুনে আমি দরজা খুললাম। সামনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘকায় এক প্রৌঢ় কৃষ্ণাঙ্গ ভদ্রলোক। পরনে দামী থ্রি-পিস স্যুট, চোখেমুখে এক অদ্ভুত আভিজাত্য আর আত্মবিশ্বাস। তিনি হাত বাড়িয়ে দিয়ে হাসিমুখে বললেন, “হ্যালো, আমি রায়হান। পাশের ২ নম্বর ইউনিটটা আমার।” আমি হাত মেলালাম এবং নিজের পরিচয় দিলাম। মনে মনে ভাবছিলাম, বসের সাথে এর নিশ্চয়ই দীর্ঘদিনের খাতির।

রায়হান লোকটা বেশ অমায়িক আর মিশুক। কথায় কথায় জানালেন, তিনি তার বারবিকিউ গ্রিলের প্রোপেন ট্যাঙ্ক বদলাতে চান, তাই একটা রেঞ্চের দরকার। আমার বাইকের গিয়ারের সাথে কিছু যন্ত্রপাতি ছিল, তাই তাকে সাথে নিয়ে আমার ট্রাকের দিকে এগোলাম। টুলবক্স হাতড়ে একটা ছোট ক্রিসেন্ট রেঞ্চ বের করে তাকে দিলাম। তিনি জানালেন, প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি আমার বসের পরিবারকে চেনেন। প্রতি মাসে একবার করে এখানে আসেন একটু নির্ঝর শান্তির খোঁজে।

ঠিক সেই মুহূর্তে টিনা ঘর থেকে বেরিয়ে এল। বাইরে তখন আদ্র হাওয়া বইছে, আর টিনা কিছুক্ষণ আগেই ওয়ার্কআউট শেষ করেছে। ওর পরনে ছিল শরীরের সাথে সেঁটে থাকা জিমের পোশাক, যা ঘামে ভিজে ওর তন্বী শরীরের প্রতিটি ভাঁজকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। সম্ভবত ও নিজেও খেয়াল করেনি যে ওর পাতলা টপের ওপর দিয়ে ওর শক্ত হয়ে থাকা নিপল দুটো কতটা প্রলুব্ধকরভাবে উঁকি দিচ্ছে।

রায়হান তাকে দেখামাত্রই তিনি এগিয়ে গিয়ে টিনার সাথে হাত মেলালেন। কিন্তু হ্যান্ডশেকের পর তিনি একটু ঝুঁকে টিনার গালে একটি আলতো চুম্বন এঁকে দিলেন। দৃশ্যটা দেখে আমার একটু অদ্ভুত লাগলেও ভাবলাম, আভিজাত্যপূর্ণ সমাজে হয়তো এটাই দস্তুর। টিনাও মোটেও অপ্রস্তুত হলো না, বরং সাবলীলভাবে পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে নিজেকে একটু উঁচিয়ে রায়হানের ঘনিষ্ঠতাকে গ্রহণ করল।

রায়হান ওর সাথে গল্প জুড়ে দিলেন। কথায় কথায় তিনি টিনার সুঠাম ফিগার পর্যবেক্ষণ করছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, টিনা বডিবিল্ডিং করে কি না। টিনা একটু লাজুক হেসে জানাল যে ও একসময় জিমন্যাস্ট ছিল এবং এখন শরীরচর্চা ওর শখ মাত্র। রায়হান মৃদু হেসে বললেন যে তিনিও একসময় বডিবিল্ডার ছিলেন এবং এখনও নিয়মিত জিম করেন। আমি লক্ষ্য করলাম, স্যুট পরা থাকলেও রায়হানের চওড়া কাঁধ আর পেশীবহুল অবয়ব বেশ শক্তিশালী। যদিও সাধারণ বডিবিল্ডারদের মতো ওজনে ভারী নয়, তবে রায়হানের শরীর ছিল অবিশ্বাস্যরকম সুঠাম আর টানটান।

রায়হান আমাদের জানাল যে কিছুদিন আগে পাহারের নিচে মাছ ধরতে গিয়ে সে প্রচুর মাছ এবং কাঁকড়া ধরে এনেছে এবং তার ফ্রিজার এখন সেগুলোতে ঠাসা। সে জিজ্ঞেস করল, “তোমরা কি রাতের খাবার খেয়ে নিয়েছ?” টিনা জানাল যে আমরা এখনও ডিনার নিয়ে কিছু ভাবিনি। রায়হান বেশ জোর দিয়েই বলল, “তাহলে আজ আমার প্যাটিওতে (বারান্দায়) তোমাদের নিমন্ত্রণ। এই মাছগুলো শেষ করতে আমাকে সাহায্য করতেই হবে!” টিনা মাছ খেতে খুব পছন্দ করত, এককথায় মৎস্য প্রেমী যাকে বলে- তাই ও এক কথায় রাজি হয়ে গেল। ও বলল, “ঠিক আছে, কিন্তু আমাদের পক্ষ থেকে ডেজার্টটা আমরাই নিয়ে আসব।” আমি মজা করে বললাম, “টিনা তো এক ঢিলে দুই পাখি মারল—প্রিয় মাছও খাওয়া হবে, আবার রান্নার ঝামেলা থেকেও মুক্তি পাওয়া গেল!” রায়হান হাসিমুখে বলল, “দারুণ! তাহলে এক ঘণ্টার মধ্যে চলে এসো, আমি ফ্রেশ হয়ে বারবিকিউটা রেডি করে ফেলি।”

শাওয়ারে যাওয়ার আগে আমি আর টিনা আলোচনা করছিলাম রায়হান লোকটা কত দারুণ। তার দামী পোশাক আর চালচলন দেখে আমাদের কৌতূহল হচ্ছিল যে লোকটা আসলে কী করে যে এত টাকার মালিক! টিনা শাওয়ারে যাওয়ার আগে আমাকে এক কাপ চা করে দিয়ে গেল অবসর সময় কাটানোর জন্য। ও যখন বের হলো, আমি চা শেষ করে দ্রুত স্নান সেরে নিলাম। পরের আধা ঘণ্টা টিনা নিজেকে সাজাতে সময় নিল। আমি বললাম ক্যাজুয়াল কিছু পরতে, কিন্তু ও কোথাও বেরোনোর আগে সাজগোজ করতে খুব পছন্দ করে।

সন্ধে ৭টায় টিনা যখন সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে এল, আমার যেন শ্বাস আটকে গেল। ও পরেছিল একটা ছোট কালো স্কার্ট আর শরীরের সাথে কামড়ে থাকা একটা সাদা টপ। ও খুব ভালো করেই জানে যে সাদা টাইট টপে ওর ভরাট স্তনযুগল কতটা প্রলুব্ধকর দেখায় এবং সেটা আমাকে কতটা উত্তেজিত করে। ওর পাতলা ব্রা-টি ওর বুককে আরও ঠেলে উপরের দিকে তুলে ধরেছে, যার ফলে ওর স্তন দুটোকে স্বাভাবিকের চেয়েও অনেক বড় এবং উদ্ধত মনে হচ্ছিল। বাইরের উষ্ণ আবহে কাপড়ের ওপর দিয়ে ওর নিপলের আউটলাইনগুলো স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছিল।

একটু বোকার মতোই আমি ওকে প্রশংসা করার বদলে রসিকতা করে বললাম, “একটা বারবিকিউ ডিনারের জন্য নিজেকে একটু বেশিই সেক্সি করে ফেলেছ না?” টিনা চোখ নাঁচিয়ে উত্তর দিল, “তুমি তো জানোই, বাইরে বেরোলে আমি একটু ফিটফাট থাকতেই পছন্দ করি।” হয়তো আমি সরাসরি ওর রূপের প্রশংসা করিনি বলে ও একটু খোঁচা দিয়েই বলল, “তাছাড়া বেবি, তোমার হিংসা করার কিছু নেই, রায়হান আমার বাবার চেয়েও বয়সে বড়!” কথাটি সত্যি ছিল।

আমি পরিস্থিতি সামাল দিতে বললাম, “আরে না, আমি হিংসে করছি না। আমি শুধু চাইছি আগামী শুক্রবার যখন আমরা শহরে ডিনারে যাব, তখনও যেন তোমাকে এমন মোহনীয় দেখায়।” টিনা আত্মবিশ্বাসের সাথে একটু দুষ্টুমি করে হাসল, “আচ্ছা বেবি, আমি এত সুন্দর সেজেছি আর তোমার হিংসা হচ্ছে না? আমার মতে তোমার এখন হিংসেয় ফেটে পরা উচিত!” আমি কথা না বাড়িয়ে বললাম, “চলো এবার যাওয়া যাক।”

আমরা রায়হানের বাড়ির দরজায় গিয়ে কড়া নাড়তেই ভেতর থেকে রায়হান আমাদের ভেতরে আসতে বললেন। ঘরে ঢুকতেই রায়হান হাসিমুখে আমাদের স্বাগত জানালেন। রায়হানের পরনে এখন একটা সাদা ফতুয়া আর ট্রাডিশনাল লুঙ্গী। ওপরে একটা অ্যাপ্রন পরা, যাতে বড় বড় অক্ষরে লেখা—” রায়হান সিদ্দিকী”। আমি পরিষ্কার হলাম যে রায়হানের আসল নাম রায়হান সিদ্দিকী এবং সে আসলেই একজন দক্ষ বডিবিল্ডার। ফতুয়ার হাতা ভেদ করে ওর বাইসেপ আর চওড়া বুক যেন ফেটে বেরিয়ে আসতে চাইছে।

রায়হান আমার সাথে হাত মিলিয়ে আমাদের পেছনে প্যাটিওতে নিয়ে গেলেন। তারপর টিনার দিকে তাকিয়ে বেশ গভীর দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল, “টিনা, তোমাকে জাস্ট অবিশ্বাস্য লাগছে!” এরপর সে আবারও টিনার গালে আলতো করে চুমু খেল এবং ফিসফিস করে বলল, “তোমার গায়ের সুবাসটাও খুব চমৎকার।” রায়হানের মুখে এমন অকপট প্রশংসা শুনে টিনা একটু আড়চোখে আমার দিকে তাকিয়ে হাসল এবং রায়হানকে বলল, “ধন্যবাদ মিস্টার হুম্মম… রায়হান। আমার বয়ফ্রেন্ডের চেয়ে আপনার প্রশংসার ধরণটা অনেক বেশি কেজুয়াল!” রায়হান কোনো ঝামেলায় জড়াতে চাইল না, শুধু মিষ্টি করে হেসে আমাদের বসার অনুরোধ করল।

আমরা সবাই মিলে প্যাটিওতে গেলাম যেখানে রায়হান নিখুঁত দক্ষতায় ভেটকি মাছ গ্রিল করছিলেন। রায়হান কেবল একজন দারুণ রাঁধুনিই নয়, বরং একজন অসাধারণ হোস্ট। আমাদের চেয়ে বয়সে অনেক বড় হওয়া সত্ত্বেও ওর কথা বলার ভঙ্গি আর রসবোধ ছিল চমৎকার। ও নিজের সম্পর্কে খুব কমই কথা বলছিল, বরং আমাদের জীবন আর কাজ নিয়ে এমনভাবে আগ্রহ দেখাচ্ছিল যে আমরা খুব সহজেই ওর সাথে মিশে গেলাম। আমি আর টিনা দুজনেই ডিনারটা দারুণ উপভোগ করছিলাম।

চমৎকার ডিনারের পর রায়হান আমাদের তার লিভিং রুমে আমন্ত্রণ জানাল মদ্যপ খাওয়ার জন্য। রায়হান রসিকতা করে বলল যে ভালো হুইস্কি আর অতিরিক্ত কাজ—এই দুটোই এখন তার জীবনের একমাত্র নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি জানালাম যে আমি সাধারণত বিয়ার বেশি পছন্দ করি, তবে টিনা হুইস্কি-স্কচ ভালোবাসে। রায়হান জোর দিয়ে বলল যে তার সংগ্রহে থাকা ম্যাক্যালান স্কচ আমার একবার ট্রাই করা উচিত, কারণ এটা তার প্রিয়। ও টিনাকেও আশ্বস্ত করল যে সেও এটা পছন্দ করবে।

রায়হান আমাদের গ্লাসে স্কচ ঢেলে দিল, যা প্রথম স্বাদেই ছিল অতুলনীয়। কথা আর মদের আড্ডায় কীভাবে যে কয়েক ঘণ্টা কেটে গেল আর দ্বিতীয় বোতলটা শেষ হয়ে গেল, আমরা টেরই পেলাম না।

আড্ডার এক পর্যায়ে টিনা রায়হানকে জিজ্ঞেস করল সে কতদিন ধরে বডিবিল্ডিং করছে। রায়হান বিনয়ের সাথে জানাল এটা বহু বছর ধরে তার একটা শখ মাত্র। টিনা এবার একটু খিলখিল করে হেসে রায়হানকে জিজ্ঞেস করল, “আচ্ছা রায়হান, তোমার… তুমি বললাম ডোন্ট মাইন্ড… উচ্চতা কত আর ওজনই বা কত?” রায়হান কিছুটা লাজুক হাসিতে উত্তর দিল, “খুব বেশি না, আমি ৬ ফুট ৫ ইঞ্চি আর ওজন প্রায় ১১৩ কেজির মতো।”

রায়হান আলোচনার মোড় ঘুরিয়ে টিনার ফিগারের প্রশংসা করল। সে বলল, ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতায় টিনার শরীরটা একজন ফিমেল বডিবিল্ডারের জন্য একদম পারফেক্ট স্টার্ট। ও আরও যোগ করল যে দীর্ঘদিনের জিমন্যাস্টিকসের কারণে টিনার শরীরে পেশীর গঠন খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।

বেশ কিছুটা অ্যালকোহল পেটে পড়ায় টিনা হয়তো বেশ চনমনে আর সাহসী বোধ করছিল। হুট করেই ও আমাদের সোফা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে রায়হানের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। দুষ্টুমি ভরা গলায় বলল, “এই দেখো রায়হান, আমার শক্তি!” এই বলে ও হাত ভাঁজ করে ওর বাইসেপ দেখাল। আমি আর রায়হান দুজনেই হেসে উঠলাম, কারণ টিনার শরীর সুগঠিত হলেও ওর বাইসেপগুলো মোটেও বড় ছিল না। আমাদের হাসিতে টিনাও যোগ দিল, কিন্তু জেদ ধরে বলল, “অর্ণব জানে আমি কতটা শক্তিশালী! রায়হান, তুমি নিজে হাত দিয়ে অনুভব করে দেখো, ধরো আমার মাসলটা!”

আমরা আবারও হাসলাম। কিন্তু টিনা ছাড়ার পাত্র নয়, ও বারবার বলতে লাগল, “আমি সিরিয়াস রায়হান, ফিল করে দেখো।”

টিনার জোরাজুরিতে রায়হান শেষমেশ রাজি হলো। সে তার বিশাল হাত বাড়িয়ে তর্জনী আর বুড়ো আঙুল দিয়ে টিনার ছোট্ট বাইসেপটা আলতো করে টিপল। রায়হানের সেই অতিকায় হাতের তালুতে টিনার হাতটা একদম খেলনার মতো মনে হচ্ছিল। রায়হান উৎসাহিত করে বলল, “বাহ টিনা, বেশ শক্ত তো!”

টিনা এবার হাসতে হাসতে আবদার করল, “এবার দেখি তো, তোমারটা কি আমার চেয়ে বড়?” ওর কথা শুনে আমরা আবার হেসে ফেললাম, কারণ রায়হানের ফতুয়ার হাতা ফুঁড়ে বের হতে চাওয়া পেশীগুলো দেখেই বোঝা যাচ্ছিল ওগুলো কতটা বিশাল।

রায়হান হেসে না করল, “আরে না না, আমি দশ বছরের অপর হল কোনো কম্পিটিশনে অংশ নিইনি।”

কিন্তু টিনা নাছোড়বান্দা। ও হাসতে হাসতে বলল, “প্লিজ রায়হান দা, একবার দেখতে দাও তোমার বাইসেপগুলো ঠিক কতটা বড়। অর্ণবের বাইসেপও বেশ ভালো, কিন্তু তোমারগুলো তো মনে হচ্ছে পাহাড়ের মতো বিশাল!”

টিনা ক্রমাগত রায়হানকে উত্যক্ত করতে লাগল ওর পেশীগুলো দেখানোর জন্য। আমি সোফায় বসে হাসছিলাম আর ভাবছিলাম, মদ্যপের প্রভাবেই হয়তো ও এতটা সাহসী আর আমুদে হয়ে উঠেছে। হঠাৎ টিনা ঝুঁকে পড়ে রায়হানের ডান হাতের বাইসেপটা ওর দুই হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরল। ওর চোখ দুটো বিস্ময়ে বড় বড় হয়ে উঠল। উত্তেজনায় ও চিৎকার করে বলল, “ও মাই গড হানী, দেখো! আমি দুই হাত দিয়েও রায়হানের বাইসেপটা পুরোপুরি ধরতে পারছি না, অথচ ও এখনও পেশী ফোলানইনি!”

রায়হান মৃদু হেসে আমার দিকে তাকিয়ে মজা করে বলল, “হে অর্ণব, তোমার গার্লফ্রেন্ডকে একটু সামলাও!”

রায়হান মজা করছিল ঠিকই, কিন্তু আমি কিছু বলার আগেই টিনা এক ঝটকায় উত্তর দিল, “অর্ণব আমাকে সামলাতে পারে না… ও অনেক চেষ্টা করেছে, কিন্তু আমাকে বশে রাখা ওর সাধ্যের বাইরে!”—একথা বলে ও নিজের শরীরের কার্ভগুলোর দিকে একটি ইঙ্গিতপূর্ণ ভঙ্গি করল।

আমি বা রায়হান কেউই কিছু বললাম না। টিনা খিলখিল করে হাসতে হাসতে বলতে লাগল, “দেখলে তো? অর্ণব নিজেও জানে এই মেয়েকে সামলানো ওর কম্ম নয়!”

টিনার কথায় রায়হান কিছুটা অস্বস্তিকর হাসিতে যোগ দিয়ে বলল, “টিনা, তোমার মতো এমন বিধ্বংসী আকর্ষণীয় মেয়েকে সামলানোর ক্ষমতা খুব কম পুরুষেরই আছে!”

রায়হানের মুখে এমন অকপট প্রশংসা শুনে টিনা আহ্লাদে গদগদ হয়ে বলল, “ও রায়হান, তুমি কত সুইট! এবার তোমার অন্য হাতের মাসলটা দেখাও তো।” ও রায়হানের চেয়ারের বাম দিকে গিয়ে দাঁড়াল এবং একইভাবে রায়হানের বাম হাতের বাইসেপটা দুহাতে চেপে ধরল।

রায়হান এবার ওর বাম হাতের পেশী সজোরে ফোলানো শুরু করল। রায়হানের পেশীর প্রসারণে টিনার ছোট ছোট হাত দুটো যেন আলাদা হয়ে ছিটকে যাচ্ছিল। ও উত্তেজনায় হাসতে আর চিৎকার করতে লাগল। রায়হান এবার খেলাচ্ছলে ওর বাইসেপ একবার ফোলাচ্ছিল আর একবার শিথিল করছিল। রায়হানের সেই বিশাল শরীরের ছন্দের সাথে তাল মিলিয়ে টিনার হাত, বাহু এবং ওর তন্বী শরীরের উপরিভাগও দুলে দুলে উঠছিল।

আমি লক্ষ্য করলাম, রায়হান যখন পেশী ফোলানোর কসরত করছিল, ওর দৃষ্টি স্থির হয়ে ছিল টিনার ভরাট স্তনযুগলের ওপর। টিনার শরীরের দুলুনির সাথে ওর দুধ দুটোও মৃদু কাঁপছিল। টিনা উত্তেজনায় আবার বলল, “অর্ণব, দেখো রায়হানের হাত দুটো কত বড়!”

আমি সংক্ষিপ্ত উত্তর দিলাম, “হ্যাঁ, দেখছি।” কিন্তু আমি যা দেখছিলাম তা হলো—রায়হানের মুখ থেকে মাত্র এক ফুট দূরত্বে থাকা আমার প্রেমিকার উদ্ধত স্তন দুটোর দিকে রায়হানের সেই লোলুপ চাউনি।

টিনা রায়হানকে জিজ্ঞেস করল ও কতদিন অন্তর ওয়ার্কআউট করে। রায়হান জানাল যে ও সপ্তাহে চারদিন জিম করে নিজেকে ফিট রাখার জন্য। কিন্তু ওকে দেখে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছিল যে ও কেবল ফিট নয়, বরং অবিশ্বাস্য রকমের সুঠামও। যখন টিনা ওর বয়স জানতে চাইল, রায়হান উত্তর দিল, “তোমার বাবার বয়সের সমান হবে হয়তো।”

টিনা হাসতে হাসতে বলল, “কী অদ্ভুত! আমি আসার আগেই অর্ণবকে ঠিক এই কথাটাই বলেছিলাম।”

রায়হানের চোখেমুখে এক রহস্যময় অভিব্যক্তি ফুটে উঠল। ও জিজ্ঞেস করল, “অর্ণব আর তোমার আলাপে আমার বয়সের প্রসঙ্গ কেন এলো?”

টিনা বুঝতে পারল ওর কথাটি হয়তো রায়হানের কানে একটু খারাপ শোনাতে পারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ও চট করে বলল, “আরে না না রায়হান, তোমার বয়সের জন্য নয়। আসলে অর্ণব ভাবছিল আমার আজকের পোশাকটা বোধহয় একটু বেশিই সেক্সি হয়ে গেছে আর ও ভয় পাচ্ছিল যে এটা দেখে তুমি আবার বেশি উত্তেজিত হয়ে পড়ো কি না!”

আমি নিজের পক্ষ নিয়ে বললাম, “পুরোটা সত্যি নয়। আমি শুধু বলেছিলাম যে আমি হিংসে করছি না। আমি মোটেও হিংসে করার মতো মানুষ নই।”

রায়হান হেসে হালকা করে দিল ব্যাপারটা, “আরে ঠিক আছে, কুল!” এরপর ও যোগ করল, “টিনা, তোমার পোশাক কোনো পুরুষকে কতটা উত্তেজিত করবে জানি না, তবে তোমার পোশাকের নিচে যা আছে—সেটাই যেকোনো পুরুষকে পাগল করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।”

টিনা যেন রায়হানের ফ্লার্টিংগুলো গোগ্রাসে গিলছিল। ও তখনও রায়হানের বিশাল বাইসেপটা ধরে ছিল। ও বলল, “রায়হান, তুমি সত্যিই খুব চমৎকার… অর্ণবর উচিত তোমার থেকে শেখা যে কীভাবে একজন মহিলার সাথে কথা বলতে হয় এবং কীভাবে তার প্রশংসা করতে হয়!” টিনা ঠিক কী বোঝাতে চাইল, আমি নিশ্চিত হতে পারলাম না।

হঠাৎ টিনা রায়হানের বড় আরামকেদারাটার হাতলের ওপর বসে পড়ল। রায়হানের ঠিক পাশেই ঘনিষ্টভাবে বসে ও তার হাত ছেড়ে দিল এবং ঝুঁকে পড়ে রায়হানের গালে একটি গাঢ় চুমু খেল। ও রায়হানকে বলল ও সত্যিই খুব মিষ্টি।

টিনা আর রায়হান দুজনেই আমার প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় আমার দিকে তাকাল। আমি তখন বাকরুদ্ধ। টিনা এবার হো হো করে হেসে উঠল, “বাহ অর্ণব! তুমি সত্যিই হিংসে করো না দেখছি! আর না হলে তুমি চাপের মুখেও নিজেকে খুব শান্ত রাখতে পারো।”

ও সোফায় আমার পাশে ফিরে আসার সময় এমনভাবে কোমর দুলিয়ে হাঁটছিল যেন আমাদের দুজনকে ওর শরীরের জাদু দেখাচ্ছে। আমরা যখন চলে আসব, রায়হান গর্বের সাথে জানাল ওর বয়স সবেমাত্র ৫৩ বছর পূর্ণ হয়েছে। ওকে দেখে মোটেও তা মনে হচ্ছিল না। টিনা রায়হানকে ধন্যবাদ দিল তার সাথে এই দুষ্টুমিতে অংশ নেওয়ার জন্য এবং আমাকে একটু হিংসে করানোর প্রচেষ্টায় তাকে ‘গুড স্পোর্ট’ হিসেবে পাশে পাওয়ার জন্য।

রায়হান হেসে বলল, “যেকোনো সময় টিনা, আমি তোমাদের সাহায্য করতে পারলে খুশিই হব!” আমরা সবাই একসাথে হেসে উঠলাম। বাড়ির সামনের বারান্দায় দাঁড়িয়ে টিনা রায়হানকে জিজ্ঞেস করল সে পেশায় কী। আমরা জানলাম রায়হান ডুবাইয়ের একজন নামকরা করপোরেট ব্যবসায়ী এবং কয়েক বছর আগে তার ডিভোর্স হয়ে গেছে। টিনা রায়হানকে সোজাসুজি বলল যে, ৫৩ বছর বয়সে এত দুর্দান্ত ফিগার ও এর আগে কখনো কারো দেখেনি।

রায়হান প্রসঙ্গ পাল্টে জিজ্ঞেস করল, “আমার কথা তো অনেক হলো, কাল তোমাদের পরিকল্পনা কী?” টিনা জানাল যে আমি আবারও বাইক নিয়ে বেরোব আর ও সারাদিন অলস সময় কাটাবে, বই পড়বে অথবা ওর ওয়ার্কআউট ডিভিডি দেখে ব্যায়াম করবে। রায়হান তখন টিনাকে ওর গ্যারেজে থাকা প্রফেশনাল জিম ব্যবহার করার আমন্ত্রণ জানাল।

নিজেদের টাউনহাউসে ফেরার পর আমি প্রচণ্ড উত্তেজনা অনুভব করছিলাম। সারা সন্ধে টিনার ওই সেক্সি পোশাকে ঘুরে বেড়ানো আর রায়হানের সাথে ওরকম আদুরে ফ্লার্ট করা আমাকে পাগলের মতো তপ্ত করে তুলেছিল। ঘরে ঢোকামাত্রই আমি ওকে হিড়হিড় করে টেনে দোতলার বেডরুমে নিয়ে গেলাম এবং বিছানায় ছুঁড়ে ফেললাম। আমি ওর কালো স্কার্টটা ওপরে তুলে ওর থং-টা একপাশে সরিয়ে ওর কোমল যোনিদেশে মুখ ডোবালাম। ও তখন কামরসে একেবারে ভিজে টইটুম্বর হয়ে ছিল—এতটা ভিজে আমি ওকে আগে কখনো দেখিনি।

মাত্র পাঁচ মিনিট ওর শেভ করা নারীত্ব চাটতেই টিনা এক তীব্র অর্গাজম বা চরম সুখে পৌঁছে গেল। সাধারণত এই সুখে পৌঁছাতে ওর অন্তত ১৫ মিনিট সময় লাগে। আমার সাড়ে পাঁচ ইঞ্চির পুরুষাঙ্গটি তখন যন্ত্রণায় ছটফট করছিল এবং বীর্য উগ্রানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল। আমি দ্রুত প্যান্ট খুলে ওর ওপরে ওঠার চেষ্টা করলাম। টিনা যখন ওর গুদে আমার শক্ত লিঙ্গের স্পর্শ পেল, ও সাথে সাথে আমাকে ঠেলে সরিয়ে দিল। ও হাসতে হাসতে বলল, “একদম না, মিস্টার ‘আমি-হিংসুটে-নই’!”

টিনা ওর টপটা খুলে ব্রা-টা ওপরে তুলে ওর একটা ভরাট স্তন আমার মুখে পুরে দিল। তারপর আমার কানে কানে ফিসফিস করে বলল, “নাও অর্ণব, হাত দিয়ে ঘষে নিজেরটা নিজেই বের করো।” আমি আবদার করলাম, “সোনা, প্লিজ তুমি করে দাও না!” ও দুষ্টুমি করে বলল, “আজ রাতে নয় সোনা। তুমি আজ আমার সাথে তেমন খুব একটা ভালো ব্যবহার করোনি, তাই কোনো স্পেশাল ট্রিট পাবে না।”

অগত্যা আমি নিজেই নিজেকে হস্তমৈথুন করতে বাধ্য হলাম। আর ও আমার কানের কাছে মুখ এনে আরও উসকে দিতে লাগল, “হ্যাঁ অর্ণব, করো… ওভাবেই… খুব ভালো হচ্ছে।” মাত্র ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই আমার বীর্য প্রবল বেগে চারদিকে ছিটকে বেরিয়ে এল।

টিনা অবাক হয়ে বলল, “ও মাই গড! তুমি তো কখনো এত দ্রুত বের করো না! কী হয়েছে তোমার অর্ণব?” ও হাসতে হাসতে আবারও টিপ্পনী কাটল, “রায়হানের সাথে ফ্লার্ট করা দেখে খুব হিংসে হচ্ছিল, তাই না? ওটাই তোমাকে বেশি উত্তেজিত করে দিয়েছে- কি তাই তো?”

আমি চুপ করে রইলাম। টিনা হাসতেই থাকল, “হয়তো তুমি সত্যিই হিংসে করো অর্ণব!” আমরা দুজনেই জানতাম যে রায়হানের সাথে ওর ওই মাখামাখিই এই তীব্র উত্তেজনার কারণ, কিন্তু কেউই সেটা মুখে স্বীকার করলাম না।

চলবে…

# Actor input Schema

## `url` (type: `string`):

The URL of website you want to get the data from.

## Actor input object example

```json
{
  "url": "https://www.apify.com/"
}
```

# Actor output Schema

## `results` (type: `string`):

No description

# API

You can run this Actor programmatically using our API. Below are code examples in JavaScript, Python, and CLI, as well as the OpenAPI specification and MCP server setup.

## JavaScript example

```javascript
import { ApifyClient } from 'apify-client';

// Initialize the ApifyClient with your Apify API token
// Replace the '<YOUR_API_TOKEN>' with your token
const client = new ApifyClient({
    token: '<YOUR_API_TOKEN>',
});

// Prepare Actor input
const input = {
    "url": "https://www.apify.com/"
};

// Run the Actor and wait for it to finish
const run = await client.actor("justwatching/baanlaa-ctti-gl-uttpt-raath-prb-1").call(input);

// Fetch and print Actor results from the run's dataset (if any)
console.log('Results from dataset');
console.log(`💾 Check your data here: https://console.apify.com/storage/datasets/${run.defaultDatasetId}`);
const { items } = await client.dataset(run.defaultDatasetId).listItems();
items.forEach((item) => {
    console.dir(item);
});

// 📚 Want to learn more 📖? Go to → https://docs.apify.com/api/client/js/docs

```

## Python example

```python
from apify_client import ApifyClient

# Initialize the ApifyClient with your Apify API token
# Replace '<YOUR_API_TOKEN>' with your token.
client = ApifyClient("<YOUR_API_TOKEN>")

# Prepare the Actor input
run_input = { "url": "https://www.apify.com/" }

# Run the Actor and wait for it to finish
run = client.actor("justwatching/baanlaa-ctti-gl-uttpt-raath-prb-1").call(run_input=run_input)

# Fetch and print Actor results from the run's dataset (if there are any)
print(f"💾 Check your data here: https://console.apify.com/storage/datasets/{run.default_dataset_id}")
for item in client.dataset(run.default_dataset_id).iterate_items():
    print(item)

# 📚 Want to learn more 📖? Go to → https://docs.apify.com/api/client/python/docs/quick-start

```

## CLI example

```bash
echo '{
  "url": "https://www.apify.com/"
}' |
apify call justwatching/baanlaa-ctti-gl-uttpt-raath-prb-1 --silent --output-dataset

```

## MCP server setup

```json
{
    "mcpServers": {
        "apify": {
            "type": "http",
            "url": "https://mcp.apify.com/?tools=fetch-actor-details,justwatching/baanlaa-ctti-gl-uttpt-raath-prb-1"
        }
    }
}
```

The hosted server signs you in with OAuth on first connect, so no API token belongs in this config. Clients without OAuth support can send an `Authorization: Bearer <APIFY_API_TOKEN>` header instead, using a token from API & Integrations in Apify Console (https://console.apify.com/settings/integrations).

## OpenAPI specification

Download the OpenAPI definition: https://api.apify.com/v2/actors/q89LbTBK1evsKmwC2/builds/XtJh5G6Tk42ESU573/openapi.json
